৯ই আগস্ট, ২০২০ ইং, রবিবার

১৪ কোম্পানির দুধের উৎপাদন-বিক্রি পাঁচ সপ্তাহের জন্য স্থগিত

আপডেট: জুলাই ২৮, ২০১৯

| মেহেদী হাসান রাসেল

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউটের (বিএসটিআই) লাইসেন্স পাওয়া ১৪ কোম্পানির পাস্তুরিত দুধে ক্ষতিকর উপাদান থাকায় এগুলোর উৎপাদন, সরবরাহ ও বিক্রি আগামী ৫ সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।


আদালতের নির্দেশ অনুসারে এসব পাস্তুরিত দুধের নমুনা পরীক্ষা করে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর), আইসিডিডিআর’বি এবং বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের ল্যাবরেটরির দেওয়া প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে রবিবার (২৮ জুলাই) বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।


এই ১৪ কোম্পানির মধ্যে মিল্ক ভিটা, ডেইরি ফ্রেশ, ঈগলু, ফার্ম ফ্রেশ, আফতাব মিল্ক, আল্ট্রা মিল্ক, আড়ং, প্রাণ মিল্ক, আইরান, পিউরা ও সেফ ব্র্যান্ড অন্যতম।

আদালতে বিএসটিআইয়ের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার সরকার এমআর হাসান। রিটের পক্ষে ছিলেন রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার অনিক আর হক ও আইনজীবী মো. তানভীর আহমেদ।


এর আগে গত ১৪ জুলাই এই ১৪ কোম্পানির পাস্তুরিত দুধের নমুনা পরীক্ষা করে ৪টি ল্যাবকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। নির্দেশ অনুযায়ী দুধে অ্যান্টিবায়োটিক, ডিটারজেন্ট, এসিডিটি, ফরমালিন ও অন্যান্য ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি আছে কিনা তা পরীক্ষা করার কথা ছিল।


ওই আদেশের পর গত ২৩ জুলাই ৪টি ল্যাবের মধ্যে ৩টি তাদের প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করে। জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরির প্রতিবেদন এখনও জমা দেওয়া হয়নি।


ব্যারিস্টার অনিক আর হক বলেছিলেন, দুধ পরীক্ষার জন্য বিএসটিআইতে ৯টি প্যারামিটার রয়েছে। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে ১৯টি প্যারামিটার আছে। আমি আজ আদালতে বাইরের কয়েকটি দেশের দুধের মান নির্ধারণের উদাহরণ তুলে দেখিয়েছি, তারা দুধ পরীক্ষায় ৩০ ধরনের প্যারামিটার ব্যবহার করেন। এদিকে দুধের মান পরীক্ষার জন্য বিএসটিআই একটি কমিটি করেছিল। কিন্তু জানুয়ারিতে গঠিত ওই কমিটি ৭ মাসেও কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। তাই সব বিষয়ে আদালত আমাদের শুনানি নিয়ে পাস্তুরিত দুধের পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।


প্রসঙ্গত, পাস্তুরিত দুধ নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডায়রিয়াল ডিজিস রিসার্চ, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর’বি) গবেষণা প্রতিবেদন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বাজারে থাকা ৭৫ শতাংশ পাস্তুরিত দুধই অনিরাপদ, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি। এই প্রতিবেদন যুক্ত করে রিট আবেদন করা হয়।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

সম্পাদক : মোতাহার হোসেন প্রিন্স, প্রকাশক : মেহেদী হাসান রাসেল

ফ্লাটঃ ৪বি, লেভেলঃ ৪, বাড়ীঃ ১৫, রোডঃ ১৪, সেক্টরঃ ১৩, উত্তরা, ঢাকা ১২৩০

ফোন: 01675132946 

E-mail: dailysongjog@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত