১২ই আগস্ট, ২০২০ ইং, বুধবার

স্বাস্থ্যবিধি সহ যে ১২টি শর্ত মেনে সকল মসজিদে নামাজ আদায় করা যাবে

আপডেট: মে ৭, ২০২০

| মেহেদী হাসান রাসেল

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) জোহরের নামাজের পর থেকে রাজধানীসহ সারাদেশে মসজিদগুলোতে জামাতে নামাজ পড়া যাবে।

বুধবার (৬ মে) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। এ বিষয়ে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘চলতি রমজান মাসে দেশের লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লি মসজিদে জামাতে নামাজ পড়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছেন।

দেশের শীর্ষ আলেম-উলামারা মুসল্লিদের মসজিদে নামাজ পড়ার সুযোগ করে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন জানান। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে নিজেদের বাঁচাতে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি ও নির্দেশনা মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দেন।

তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ধর্ম মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।’ তিনি বলেন, ‘আগামীকাল জোহরের নামাজের পর থেকে সারাদেশের মসজিদে মুসল্লিরা নামাজ পড়ার সুযোগ পাবেন।

তবে মসজিদে নামাজ পড়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য অধিদফতর নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাসহ ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে সুনির্দিষ্ট কিছু শর্তাবলী থাকবে। এসব শর্তাবলির কথা সারাদেশের মসজিদ পরিচালনা কমিটিকে জানিয়ে দেয়া হবে।’ মেনে চলতে হবে ১২টি শর্ত:

১. মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। প্রতি ওয়াক্ত নামাজের আগে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবানুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। মুসল্লিরা নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন।

২. মসজিদের গেটে হাত ধোয়া বা স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। সব মুসল্লিকে মাস্ক পড়ে মসজিদে আসতে হবে।

৩. মুসল্লিদের বাসা থেকে ওজু করে ও সুন্নত নামাজ ঘরে আদায় করে মসজিদে আসতে হবে এবং ওজু করার সময় ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।

৪. নামাজের কাতারে তিন ফুট পর পর দাঁড়াতে হবে।

৫.এক কাতার অন্তর অন্তর কাতার করতে হবে।

৬. শিশু, বৃদ্ধ, যে কোনও ধরনের অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি জামাতে অংশ গ্রহণ করতে পারবেন না।

৭. মসজিদের ওজুখানায় সাবান বা স্যানিটাইজার রাখতে হবে। মসজিদের সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।

৮. সর্ব সাধারণের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।

৯. মসজিদে ইফতার ও সেহরির আয়োজন করা যাবে না।

১০. উল্লেখিত শর্ত পালন করে প্রত্যেক মসজিদে সর্বোচ্চ পাঁচ জন নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ইতেকাফের জন্য অবস্থান করতে পারবেন।

১১. করোনা থেকে রক্ষা পাবার জন্য মসজিদে নামাজ শেষে আল্লাহর দরবারে দোয়া করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

১২. খতিব, ইমাম এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটি বিষয়গুলো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।

নির্দেশনা না মানলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলাবাহিনী সংশ্লিষ্ট মসজিদের দায়ীত্বশীলদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

এর আগে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সম্প্রতি ওয়াক্তের নামাজে সর্বোচ্চ পাঁচজন এবং তারাবির নামাজে সর্বোচ্চ ১০জন নামাজ আদায় করতে পারবেন বলে সম্প্রতি নির্দেশনা জারি করে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

সম্পাদক : মোতাহার হোসেন প্রিন্স, প্রকাশক : মেহেদী হাসান রাসেল

ফ্লাটঃ ৪বি, লেভেলঃ ৪, বাড়ীঃ ১৫, রোডঃ ১৪, সেক্টরঃ ১৩, উত্তরা, ঢাকা ১২৩০

ফোন: 01675132946 

E-mail: dailysongjog@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত