১২ই আগস্ট, ২০২০ ইং, বুধবার

‘অন্য আলোয় নজরুল’

আপডেট: মে ১৪, ২০২০

| মেহেদী হাসান রাসেল

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

কবিতা ও সাহিত্যের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও বিদ্রোহী কবি অবদান রেখেছিলেন- সুরভাণ্ডারি, পরিচালক, সুরকার, গীতিকার, অভিনেতা, গায়ক, চিত্রনাট্যকার, সংলাপকার ও সংগঠক হিসেবে ।
১৯৩১ থেকে ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে অসুস্থ হওয়ার আগে পর্যন্ত চিত্রলোকে নজরুল ছিলেন এক সক্রিয় ব্যক্তি।
শুধু বাংলা চলচ্চিত্র নয়,
কাজী নজরুল ইসলামের দানে সমৃদ্ধ হয়েছে হিন্দি, উর্দু ও পাঞ্জাবি ভাষায় নির্মিত চলচ্চিত্রও
যেমন প্রহলাদ, দিকশূল, ধ্রুব, ধূপছায়া, পাতালপুরী, বিষ্ণুমায়া, বিদ্যাপতি (হিন্দি), গ্রহের ফের, বিদ্যাপতি (বাংলা), গোরা, নন্দিনী, চৌরঙ্গী (বাংলা), সাপুড়ে (বাংলা), চৌরঙ্গী (হিন্দি), সাপেড়া (হিন্দী), জলসা (আবৃত্তি ও গান)।

১৯৩১ সালে প্রথম বাংলা সবাক চলচ্চিত্র ‘জামাই ষষ্ঠী’তে সুরকারের ভূমিকায় কাজ করেন নজরুল। সে সময় ‘জ্যোৎস্নার রাত’, ‘প্রহল্লাদ’, ‘ঋষির প্রেম’, ‘বিষ্ণুমায়া’, ‘চিরকুমারী’, ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’, ‘কলঙ্ক ভঞ্জন’, ‘রাধাকৃষ্ণ’ এবং ‘জয়দেব’ ছবিগুলোর সঙ্গে তিনি বিভিন্ন ভূমিকায় যুক্ত ছিলেন।
তাঁর পরিচালিত চলচ্চিত্রের নাম ‘ধূপছায়া’। এ ছবিতে নজরুল গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয়ও করেছিলেন।
মধ্যযুগের কবি বিদ্যাপতির বিভিন্ন কবিতায় নজরুলের সুর দানের কাজ ছিল অসাধারণ।
বাংলা ‘বিদ্যাপতি’র সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে হিন্দিতেও নির্মিত হয় ‘বিদ্যাপতি’।
সে চলচ্চিত্রটিও ব্যবসাসফল হয়।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস অবলম্বনে ১৯৩৮ সালে নির্মিত হয় চলচ্চিত্র ‘গোরা’। এর সঙ্গীত পরিচালক ছিলেন নজরুল। এছাড়াও বহু চলচ্চিত্রে রয়েছে তার অবদান।

১৯৩৪ সালে সত্যেন্দ্রনাথের সঙ্গে যৌথভাবে ‘ধ্রুব’ পরিচালনা করেন নজরুল ।
এতে তিনি নারদের চরিত্রে অভিনয় করেন। ওই ছবির গীতিকার ও সংগীত পরিচালক ছিলেন তিনি।
১৮টি গানের মধ্যে ১৭টি গান ছিল নজরুলের লেখা। ৩টি গানে কণ্ঠও দিয়েছিলেন তিনি। ‘ধ্রুব’ মুক্তি পায় ১৯৩৪ সালের ১ জানুয়ারি।

 

লেখক: ওয়ালিদ আহমেদ কমল, সাবেক ছাত্রনেতা ।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

সম্পাদক : মোতাহার হোসেন প্রিন্স, প্রকাশক : মেহেদী হাসান রাসেল

ফ্লাটঃ ৪বি, লেভেলঃ ৪, বাড়ীঃ ১৫, রোডঃ ১৪, সেক্টরঃ ১৩, উত্তরা, ঢাকা ১২৩০

ফোন: 01675132946 

E-mail: dailysongjog@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত