১২ই আগস্ট, ২০২০ ইং, বুধবার

সারা বিশ্বকে করোনার ভ্যাকসিন দেবে চীনই! প্রস্তুতি তুঙ্গে

আপডেট: মে ১৫, ২০২০

| মেহেদী হাসান রাসেল

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

করোনা প্রতিষেধকের খোঁজে  দিনরাত এক করেও কূল পাচ্ছেন না বিশ্বের তাবোড় তাবোড় বিজ্ঞানীরা। তবে চীন কিন্তু বুক চিতিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভ্যাকসিন প্ল্যান্ট প্রতিষ্ঠা করে ফেলল। একবার প্রতিষেধক কার্যকরী প্রমাণিত হলেই বছরে প্রায় ১০ কোটি প্রতিষেধক উৎপাদনেও সক্ষম এই প্ল্যান্ট।

উৎপাদনকারী সংস্থা দ্য ফোর্থ কনস্ট্রাকশান কো লিমিটেডের অধীনেই রয়েছে বিশ্বের বায়োমেডিকেল বাজারের ৮০ শতাংশ। তাদের তথ্য অনুযায়ী, তারা বিএসএল-৩ পদ্ধতিতে কাজ করতে সক্ষম। এর আগে এই পদ্ধতিতে কাজ হয়েছে সার্স ও মার্সের ক্ষেত্রেও।

১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হেবেইর এই সংস্থা  অ্যান্টিবডি, সেল থেরাপি এবং ইনসুলিন উৎপাদনের কাজ করে। এপ্রিল মাসে চীনের সিনোভেক বায়োটেক তাদের প্রতিষেধকের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালিয়েছে। যদি তারা সফল হয় তাহলে তারাও বিপুল পরিমাণ প্রতিষেধক উৎপাদন করতে পারবে। সিনোভেকও ফার্ম তৈরির জন্য ৭০ হাজার বর্গকিলোমিটার জমি নিয়ে রেখেছে বেইজিং প্রশাসনের কাছ থেকে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ১১ মে এর তথ্য অনুযায়ী-এখনও পর্যন্ত ৮ টি প্রতিষেধকের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। যার মধ্যে চারটি চীনের। আশার আলো দেখিয়ে ট্রায়ালের দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করেছে অ্যাডিনোভাইরাস ভেক্টর।

চীনের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের প্রধান ড. গাও ফু জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বরেই আসতে পারে করোনা প্রতিষেধক। যা প্রথমে স্বাস্থ্যকর্মীদের দেওয়া হবে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অবশ্য বলছে ভাইরাসের প্রতিষেধক বাজারে আসতে আরও অন্তত ১২ থেকে ১৮ মাস সময় লাগবে। কিংবা তা অধরাও থেকে যেতে পারে।

অন্যদিকে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা সারাহ গিলবার্ট আশাবাদী যে যদি সব ঠিকঠাক যায় তাহলে তাদের ভ্যাকসিন সেপ্টেম্বরেই বাজারে আসবে। এবং তারা ৮০ শতাংশ আত্মবিশ্বাসী যে তাদের ভ্যাকসিন করোনা কাবু করতে সক্ষম।

সূত্র: জিনিউজ।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

সম্পাদক : মোতাহার হোসেন প্রিন্স, প্রকাশক : মেহেদী হাসান রাসেল

ফ্লাটঃ ৪বি, লেভেলঃ ৪, বাড়ীঃ ১৫, রোডঃ ১৪, সেক্টরঃ ১৩, উত্তরা, ঢাকা ১২৩০

ফোন: 01675132946 

E-mail: dailysongjog@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত