১২ই আগস্ট, ২০২০ ইং, বুধবার

জনগণের পাশে সেরা ১০ জনপ্রতিনিধি

আপডেট: মে ১৮, ২০২০

| মেহেদী হাসান রাসেল

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

করোনাকালে সবচেয়ে বেশি সমালোচিত হয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা। স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ত্রাণের জিনিসপত্র আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। আর স্থানীয় এমপিদের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছে।

বিশেষ করে যারা ব্যবসায়ী, কোটিপতি, ধনী এমপিরা রয়েছেন, তারা ঢাকায় বসে আছেন। এলাকার কোন খোঁজ খবর নিচ্ছেন না। এই রকম অভিযোগও পাওয়া গেছে।

তবে সমালোচনার মধ্যেও কিছু কিছু নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, এলাকার এমপি এলাকায় নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। জনগণের অভাব অনটন দুঃখ দুর্দশা দূর করার জন্য সবকিছু উজাড় করে দিয়েছেন এবং জনগণের ভালবাসায় তারা সিক্ত হয়েছেন। এ রকম আলোচিত ১০ জন এমপিকে নিয়ে এই প্রতিবেদন।

১. শেখ হেলাল:
বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল তার এলাকায় করোনা সংকটের পর থেকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে ত্রাণ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে সেখানে ত্রাণ নিয়ে কোন অভিযোগ নাই। গরীব মানুষের মধ্যে কোন খাদ্য সংকট বা অন্য কোনো অভিযোগ একেবারেই নেই।

২. শেখ তন্ময়:
শেখ তন্ময় করোনা সংকটের সময় একদিকে যেমন ত্রাণ সহায়তা দিয়েছেন, তেমনি চিকিৎসা বঞ্চিত মানুষদের ঘরে চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেওয়ার অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তার এসব উদ্যোগ ব্যাপকভাবে জনগণের কাছে অভিনন্দিত ও প্রশংসিত হয়েছে।

৩. তোফায়েল আহমেদ:
করোনা সংকটের শুরু থেকে তোফায়েল আহমেদ তার এলাকার কোনো মানুষ যাতে দুঃখ দুর্দশায় না থাকেন, সেই পদক্ষেপ নিয়েছেন। দফায় দফায় তিনি খাবার পাঠাচ্ছেন এবং তার উদ্যোগে সেখানে দুঃস্থদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। দুঃস্থদের নিয়মিত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। শুধু দুঃস্থ নয়, মধ্যবিত্ত ও যারা এখন অনটনে রয়েছে তাদেরকেও সহযোগিতা করা হচ্ছে তোফায়েল আহমেদের উদ্যোগে।

৪. নূর-ই-আলম চৌধুরী (লিটন চৌধুরী):
মাদারীপুর থেকে নির্বাচিত এমপি নূর-ই-আলম চৌধুরী (লিটন চৌধুরী) করোনা সংকটে সার্বক্ষণিকভাবে তার নির্বাচনী এলাকার মানুষের পাশে আছেন। তাদের সব ধরনের সমস্যা ও অভাব অনটন দূর করার জন্য তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। সরকারের দিকে না তাকিয়ে নিজ উদ্যোগে তিনি নিয়মিতভাবে গরীব মানুষের মাঝে ত্রাণ সহায়তা করে যাচ্ছেন।

৫. শামীম ওসমান:
নারায়ণগঞ্জের এমপি শামীম ওসমান করোনা সংকটের শুরু থেকেই সাধারণ মানুষের সবচেয়ে নিকটতম বন্ধু হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। প্রথমত, তিনি দুর্গতদের ত্রাণ সহায়তা দিচ্ছেন। দ্বিতীয়ত, তার এলাকার করোনায় আক্রান্তরা যাতে চিকিৎসা পায় তা নিশ্চিত করছেন। তার উদ্যোগে করোনা পরীক্ষার ল্যাব প্রতিষ্ঠা হয়েছে নারায়ণগঞ্জে। শুধু তা-ই নয়, নারায়ণগঞ্জে করোনায় যারা মারা যাচ্ছে তাদের দাফন যাতে ঠিকমতো হয় সেই ব্যাপারেও তিনি তদারকি করছেন। করোনা সংকটের সময় তিনি নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।

৬. আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন:
জয়পুরহাট-২ আসনের সাংসদ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এর নেতৃত্বে বিপদগ্রস্থদের মাঝে ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি বিভিন্ন সময় জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনবহুল স্থানগুলোতে ব্লিচিং পাউডার মিশ্রিত পানি ছিটানো হয়েছে। সরকারি চিকিৎসকদের উপস্থিতিতে ‘হেলথ ক্যাম্প’ করে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে তার এলাকাতে। পর্যাপ্ত পরীক্ষা ও আক্রান্তদের চিহ্নিত করে মানসম্মত পরিবেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার কারণেই জয়পুরহাটে করোনা মোকাবেলায় তুলনামূলক ভালো ফল এসেছে। সাধারণ মানুষের ভীতি কাটাতে আইসোলেশন সেন্টারটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘নিরাপদ অতিথিশালা’। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন আইসোলেশন সেন্টারটির সার্বিক পরিস্থিতির নিয়মিত খোঁজ খবর রাখেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

৭. মাশরাফি বিন মর্তুজা:
করোনা সংকটের শুরু থেকেই মাশরাফি বিন মর্তুজা নড়াইলের জন্য অন্যরকম ভাবে কাজ করছেন। তিনি এলাকায় যেমন ত্রাণ তৎপরতা চালাচ্ছেন, তেমনি মানুষকে সচেতন করা এবং অসুস্থ মানুষকে চিকিৎসার ব্যাপারেও তার উদ্যোগ প্রশংশা পেয়েছে।

৮. শাহরিয়ার আলম:
রাজশাহীর এমপি শাহরিয়ার আলম তার নির্বাচনী এলাকায় নিরবিচ্ছিন্নভাবে ত্রাণ সহায়তা করে যাচ্ছেন। মানুষকে নগদ সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষ করে দুঃস্থ মানুষের মাঝে নিয়মিত খাদ্য সরবরাহ করে তিনি এলাকায় জনবন্ধু হিসেবে আলোচিত হয়েছেন।

৯. মির্জা আজম:
জামালপুরের এমপি মির্জা আজমও করোনা সংকটের সময় এলাকায় জনগণের বন্ধু হিসেবেই পরিচিতি পেয়েছেন। করোনা সংকটের এই সময়ে তিনি জনগণের অভাব, অনটন, দুঃখ, দুর্দশা দূর করার জন্য জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন। জনগণকে বিশেষ করে দরিদ্র মানুষ যেন ত্রাণ সহায়তা পায়, তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। মির্জা আজম করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসাসহ অন্যান্য বিষয়গুলো নিশ্চিত করার জন্য সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

১০. নুরুন্নবী শাওন:
বিতর্কিত এমপি নুরুন্নবী শাওন করোনা সংকটের সময় যেন অন্য আলোয় উদ্ভাসিত হয়েছেন। তিনি তার নির্বাচনী এলাকায় পড়ে আছেন। তিনি তার এলাকার দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সারাক্ষণ ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত রেখে তিনি মানুষের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

এছাড়াও আরও কয়েকজন এমপি করোনা সংকটের সময় নিজ নিজ এলাকায় কাজ করে যাচ্ছেন। এর মধ্যে বাগেরহাট-৪ আসনের সাংসদ এডভোকেট আমিরুল আলম মিলন,  দিনাজপুর-২ আসনের এমপি খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, শরীয়তপুর-১ আসনের এমপি ইকবাল হোসাইন অপু, ফরিদপুর-৪ আসনের সাংসদ নিক্সন চৌধুরী, এই নামগুলো উল্লেখযোগ্য…

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

সম্পাদক : মোতাহার হোসেন প্রিন্স, প্রকাশক : মেহেদী হাসান রাসেল

ফ্লাটঃ ৪বি, লেভেলঃ ৪, বাড়ীঃ ১৫, রোডঃ ১৪, সেক্টরঃ ১৩, উত্তরা, ঢাকা ১২৩০

ফোন: 01675132946 

E-mail: dailysongjog@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত